advertisement
advertisement

ম্যাকাইতে ব্যাটিং ধস: দুই দিনেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ


প্রেক্ষিত বাংলাদেশ | প্রতিবেদক: নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ
ম্যাকাইতে ব্যাটিং ধস: দুই দিনেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ

দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট নেন স্টার্ক।

advertisement

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে বীরত্বপূর্ণ জয় পেলেও ম্যাকাই টেস্টে এসে চিরচেনা ব্যাটিং দৈন্যদশার প্রদর্শনী করল বাংলাদেশ দল। পেসার শরিফুল ইসলাম বল হাতে দারুণ পারফর্ম করলেও ব্যাটারদের দায়িত্বহীনতায় দুই দিনের ভেতরেই ইনিংস ও ৫১ রানের লজ্জার হার বরণ করতে হয়েছে সফরকারীদের।

 

ম্যাচটি হারলেও ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একটি টেস্ট জয় এই সিরিজে বাংলাদেশের বিশাল অর্জন। দুই ম্যাচের এই সিরিজটি শেষ পর্যন্ত ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়েছে।

 

চা-বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৮ উইকেটে ৯৫ রান এবং অজিদের আবার ব্যাটিংয়ে পাঠাতে তখনও ৫১ রান পিছিয়ে ছিল টাইগাররা। ক্রিজে মুশফিকুর রহিম থাকলেও বিরতি থেকে ফেরার পরই তাসকিন আহমেদ স্পিনার নাথান লায়নের বলে স্মিথের হাতে ক্যাচ দেন। মাঝে মাত্র এক বলের ব্যবধানে শরিফুলকেও প্যাভিলিয়নে পাঠিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন লায়ন। এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রান তুলতে পেরেছিল বাংলাদেশ।

 

স্বাগতিকদের ২১০ রানে থামিয়ে দেওয়ার পরও শুরু থেকেই ব্যাটিং ধসে পড়ে বাংলাদেশ। প্যাট কামিন্সের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পাশাপাশি মিচেল স্টার্ক তার টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থবারের মতো ১০ উইকেট নেওয়ার মাইলফলক স্পর্শ করেন। তাদের দাপটেই মাত্র ৯৫ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস।

 

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সর্বোচ্চ ৩১ রান করে তিনিও লায়নের বলে বাজে শট নির্বাচনের খেসারত দিয়ে আউট হন। লিটন দাস ও মুমিনুল হক দুজনেই রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হন, যেখানে লিটন টানা তিন ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়ার হতাশা উপহার দিয়েছেন।

 

দ্বিতীয় ইনিংসে স্টার্কের শিকার ৩৯ রানে ৪ উইকেট। প্রথম ইনিংসে তিনি ১২ রানে ৬ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ ও সিরিজ সেরার খেতাব নিজের করে নেন। প্যাট কামিন্স দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ রানে ৩টি এবং লায়ন ২৫ রানে ৩টি উইকেট লাভ করেন।

 

এর আগে শরিফুলের বোলিং তোপে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ২১০ রানে অলআউট হয়। শরিফুল মাত্র ৪৮ রানে ৭ উইকেট শিকার করেন, যা বিদেশের মাটিতে যেকোনো বাংলাদেশি বোলারের সেরা বোলিং ফিগার। তারপরও অস্ট্রেলিয়া ১৪৬ রানের বড় লিড নিজেদের পকেটে পুরেছিল।

 

আগের দিনের ৮ উইকেটে ১৬৫ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরন গ্রিন ৫১ এবং টেলএন্ডার নাথান লায়ন ১০ রান নিয়ে দিন শুরু করেন। শুরুতে তারা কিছুটা গুছিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেও শরিফুলের ভয়ংকর এক ইনসুইং ইয়র্কারে ৬৭ রানে থামে গ্রিনের ইনিংস। এরপর লায়ন ৩২ রানে অপরাজিত থেকে দলের স্কোর ২১০-এ নিয়ে যান।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর