advertisement
advertisement

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার


প্রেক্ষিত বাংলাদেশ | প্রতিবেদক: নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত: ২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হার

সংগৃহীত ছবি

advertisement

ফিফা আসিয়ান কাপ ফুটবলের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ থমাস ডুলি নিজের দলের বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলার চেয়ে মালয়েশিয়ান ফুটবলারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন। দেশের দর্শক যেখানে বাংলাদেশের ফুটবলারদের খেলার মান নিয়ে সমালোচনা করছেন, সেখানে বিশ্বকাপ খেলা সাবেক এই আমেরিকান কোচ প্রতিপক্ষের আক্রমণভাগের খেলায় মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন।

 

হামজার কোয়ালিটি এবং অন্যান্যদের বাস্তবতা:

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন জিদান ইউসুফ, সামিত সোম, ফারহান আলী ওয়াহিদ, ফাহমিদুল ইসলাম, সুকি ইতোফুসা ও হামজা চৌধুরীর মতো প্রবাসী খেলোয়াড়রা। টুর্নামেন্টের আগে হামজা ছাড়া বাকিদের নিয়ে বাফুফে বেশ মাতামাতি করলেও, মাঠে একমাত্র হামজা চৌধুরীই তাঁর সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। সাবেক বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের সময়ে হামজাকে জাতীয় দলে আনার যে উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, পরবর্তীতে আর সে মানের কোনো ফুটবলার আনা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় দলে ট্রায়ালের ক্ষেত্রে দেশি ফুটবলারদের চেয়ে প্রবাসী ফুটবলারদের বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘরোয়া লিগের খেলা দেখার সুযোগ না পেলেও কোচ ডুলি প্রবাসীদের সুযোগ করে দিচ্ছেন, যা দেশীয় ফুটবলারদের বঞ্চনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

ঘরোয়া লিগের অভাব ও বাফুফের ব্যর্থতা:

টুর্নামেন্টের আগে সাংবাদিকদের অনুশীলনে ঢুকতে না দিয়ে নিভৃতে কাজ করলেও কোচের ফলাফল শূন্য। খেলোয়াড়দের যথাযথ প্রস্তুতি না থাকার পেছনে বাফুফের লিগ আয়োজনে ব্যর্থতাকেই দায়ী করা হচ্ছে। লিগ না থাকায় খেলোয়াড়রা খ্যাপ খেলে বেড়িয়েছেন এবং এ বিষয়ে বাফুফের কোনো তদারকি ছিল না। বাফুফের সদস্য ও জাতীয় দলের টিম লিডার ইকবাল হোসেন জানান, কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়া সরাসরি বড় টুর্নামেন্টে আসায় দলের অবস্থান বোঝা যায়নি। তবে তিনি আশা করছেন যে, প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে আগামী ম্যাচে দল ঘুরে দাঁড়াবে।

 

কোচের ভূমিকা ও কৌশলগত ভুল:

ম্যাচটিতে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের চরম ব্যর্থতা দেখা গেলেও কোচ দ্রুত কোনো কৌশলগত পরিবর্তন আনেননি। এমনকি গোলবারে শ্রাবণকে রাখা নিয়েও অনেকের প্রশ্ন রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, থমাস ডুলির এই পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ফুটবলেরই সর্বনাশ হচ্ছে, কারণ কোচ চলে গেলেও দেশের মানুষকে এর ফল ভোগ করতে হবে।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর