ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লায় ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এসে পাঁচজন মাদ্রাসাছাত্রী
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে। এদের মধ্যে তিন ছাত্রীর অবস্থা অত্যন্ত
সংকটাপন্ন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কাশিপুরের হাজীপাড়া এলাকার
মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত সবাইকে দ্রুত উদ্ধার
করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
যেভাবে
ঘটল দুর্ঘটনা:
নারায়ণগঞ্জ
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন স্থানীয়দের
দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানান, ঘটনার সময় ওই ছাত্রীরা মাদ্রাসার তিনতলা ভবনের ছাদে একটি
আখ নিয়ে খেলা করছিল। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত আখটি ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন
বৈদ্যুতিক সঞ্চালন তারের সংস্পর্শে এলে তারা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।
মাদ্রাসার
পরিচালক মুফতি আবদুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাঁদের মাদ্রাসার বিভিন্ন
শ্রেণিতে প্রায় আড়াই শ ছাত্রী অধ্যয়নরত। বিকেলে কয়েকজন শিক্ষার্থী ছাদে খেলতে গিয়ে
এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দগ্ধদের
চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা:
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট
হওয়া পাঁচ ছাত্রী হলো—মোছাম্মদ জিদনি (১৪), লামিয়া (১৪), মরিয়ম (১২), আতিয়া (১১) এবং
আছিয়া (১০)। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সুলতান
মাহমুদ শিকদার নিশ্চিত করেছেন যে, দগ্ধ অবস্থায় ছাত্রীদের জরুরি বিভাগে আনার পর তাদের
চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে এবং তারা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে। চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য
অনুযায়ী, রোববার সকালে তাদের শারীরিক অবস্থার সর্বশেষ পরিস্থিতি বিস্তারিত জানা যাবে।
এদিকে,
শনিবার রাত ১১টার দিকে হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, দগ্ধদের মধ্যে জিদনির শরীরের
৮২ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ এবং আতিয়ার ৪৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
অপর দুই ছাত্রীর শরীরের যথাক্রমে ১৩ শতাংশ ও ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।