advertisement
advertisement

রিমান্ডে কৌশলে তথ্য গোপন করেছেন ডন, পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত সিআইডির


প্রেক্ষিত বাংলাদেশ | প্রতিবেদক: নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত: ১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
রিমান্ডে কৌশলে তথ্য গোপন করেছেন ডন, পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের ইঙ্গিত সিআইডির

ছবি: সংগৃহীত

advertisement

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আশরাফুল হক ডনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হলেও একদিন আগেই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সিআইডি দাবি করেছে, জিজ্ঞাসাবাদে ডন অত্যন্ত কৌশলী উত্তর দিয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন। ডনের সার্বিক আচরণ ও চালচলন বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার বেশ কিছু প্রমাণ মিলেছে বলেও আদালতকে জানিয়েছে সিআইডি।

 

আদালতে সিআইডির প্রতিবেদন:

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান ডনকে আদালতে হাজির করেন এবং কারাগারে রাখার আবেদন জানান। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আবেদনটি মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রসিকিউশনের এসআই শাহ আলম নিশ্চিত করেন যে, আসামিপক্ষ থেকে কোনো আবেদন না থাকায় সরাসরি এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

আদালতে দেওয়া সিআইডির আবেদনে বলা হয়, ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডন ও সালমান শাহ একাধিক চলচ্চিত্রে একসঙ্গে কাজ করেছেন এবং তাঁরা ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে ডন পলাতক আসামিদের চেনার কথা স্বীকার করলেও ঘটনার মূল বিষয়ে সুকৌশলে তথ্য এড়িয়ে গেছেন। সিআইডি বলছে, ঘটনার পূর্বাপর ডনের চালচলন সন্দেহজনক। এসব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তাকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান জানান, জিজ্ঞাসাবাদ আগেই শেষ হয়ে যাওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, তবে তদন্তের প্রয়োজনে পরবর্তীতে আবারও রিমান্ড চাওয়া হতে পারে।

 

ডনের গ্রেপ্তার ও মামলার ইতিহাস:

গত ৯ আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন ডন। সিআইডির কাছে হস্তান্তরের পর ২০ আগস্ট সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। ২৭ আগস্ট আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং গত রোববার তাকে হেফাজতে নেয় সিআইডি।

 

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইস্কাটনের ফ্ল্যাটে সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। শুরুতে অপমৃত্যুর মামলা হলেও পরিবারের দাবির মুখে তা হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করা হয়। সিআইডি এবং পিবিআইসহ বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে এটিকে ‘আত্মহত্যা’ বলা হলেও পরিবার তা মেনে নেয়নি। অবশেষে গত বছরের ২০ অক্টোবর পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ এনে নতুন করে মামলা করেন সালমান শাহর মামা মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম (মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে)।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর