advertisement
advertisement

কুড়িগ্রামে তিস্তার তীব্র স্রোতে ধসল ক্রসবাঁধ, ভাঙন ও প্লাবনের হুমকিতে ৬ গ্রাম


প্রেক্ষিত বাংলাদেশ | প্রতিবেদক: নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
কুড়িগ্রামে তিস্তার তীব্র স্রোতে ধসল ক্রসবাঁধ, ভাঙন ও প্লাবনের হুমকিতে ৬ গ্রাম

ছবি: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

advertisement

পানি বৃদ্ধি ও নদীর তলদেশে তীব্র স্রোতের কারণে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বুড়িরহাটে তিস্তা নদীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসবাঁধের প্রায় ৪০ মিটার ধসে গেছে। মুহূর্তের মধ্যে বাঁধের বিশাল অংশ বিলীন হয়ে যাওয়ায় পাঁচটি বাজারসহ অন্তত ছয়টি গ্রামের ২০ হাজার মানুষ নদীভাঙন ও প্লাবনের তীব্র ঝুঁকিতে পড়েছেন।

ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি ও বর্তমান পরিস্থিতি:

স্থানীয় সূত্রমতে, বাঁধটির উত্তর অংশে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয় এবং চোখের পলকে তা নদীতে তলিয়ে যায়।

ঝুঁকিতে থাকা গ্রামসমূহ: বড়দরগা, বুড়িরহাট, রামহরি, চতুরা, কালীরমেলা এবং ডাংরারহাট।

হুমকির মুখে থাকা স্থাপনা: হাজার হাজার বসতভিটা, বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এবং ৫টি স্থানীয় বাজার। তবে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দ্রুত হস্তক্ষেপে বড় ধরনের বিপদের শঙ্কা আপাতত কমেছে। পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাছান জানান, খবর পেয়েই প্রকৌশলী দল স্পারটি পরিদর্শন করে। জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে ৩০ হাজার বালুর বস্তা (জিও ব্যাগ) ফেলা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে।

‘সাময়িক মলমপট্টি নয়, চাই মহাপরিকল্পনা’:

পাউবোর এই পদক্ষেপে আশ্বস্ত হতে পারছেন না ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ আক্ষেপ করে বলেন, “নদীভাঙন রোধে স্থায়ী টেকসই বাঁধ নির্মাণ না করলে আমাদের এই দুর্যোগ চলতেই থাকবে। দুই-এক বছর পর পর বাঁধ ভাঙে আর জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক মেরামত করা হয়।” স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুনও স্থায়ী সমাধানের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা জিও ব্যাগের সাময়িক মলমপট্টি চাই না, তিস্তার ভাঙন থেকে বাঁচতে চাই। এ জন্য ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই।”

 

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর