(ছবি : সংগৃহীত)
স্মরণকালের মারাত্মক পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কবলে পড়া নেপালকে জরুরি মানবিক
সহায়তা হিসেবে ১০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা
গেছে, গতকাল দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ত্রাণ তহবিলের জন্য এই অর্থ হস্তান্তর করা
হয়েছে।
গতকাল সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারির কাছে
এই সহায়তার অর্থ বুঝিয়ে দেন। একই সঙ্গে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের উদ্দেশে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঠানো সংহতি ও সমবেদনাপত্রটিও রাষ্ট্রদূতের
হাতে তুলে দেওয়া হয়।
দুর্যোগের প্রেক্ষাপট ও প্রাণহানি:
নেপালের তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে গত ২৬ আগস্ট ভোরে শুরু হওয়া এই দুর্যোগে
গতকাল সকাল পর্যন্ত ১,২৫০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিখোঁজ
রয়েছেন অন্তত চার হাজার মানুষ।
নেপাল-চীন সীমান্তঘেঁষা রসুয়া জেলার তিমুরে ও স্যাফ্রুবেশিতে ভোতেকোশি নদীতে
সৃষ্ট এই আকস্মিক হড়পা বান এবং ভূমিধস বাড়িঘর, সেতু ও প্রধান সড়কগুলো নিশ্চিহ্ন করে
দেয়। পরে এই প্লাবন ত্রিশূলী নদীতে গিয়ে পড়ে। নদীর প্রবল স্রোত মানুষের মরদেহ ও দেহাংশ
ভাটির বহু জেলার দিকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
বাংলাদেশের শোক ও সংহতি:
নেপালের এই চরম মানবিক বিপর্যয়ে শুরু থেকেই পাশে রয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে
গত ২৭ আগস্ট বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিক শোক প্রস্তাব গৃহীত হয়। পরবর্তীতে ১
সেপ্টেম্বর ঢাকায় নেপাল দূতাবাসে গিয়ে শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
হুমায়ুন কবির। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ১০ লাখ ডলারের এই আর্থিক সহায়তা দিল বাংলাদেশ
সরকার।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।