৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। এদিন স্কোরবোর্ডে আর ৭৫ রান যোগ করতেই শেষ ৪ উইকেট হারায় সফরকারীরা। দিনের শুরুতেই জশ হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন হাসান মাহমুদ। এরপর তাইজুল ইসলাম ১৭ রানের একটি কার্যকরী ক্যামিও খেলে দলের লিড বাড়াতে সাহায্য করলেও, শেষ পর্যন্ত তিনিও হ্যাজেলউডের শিকার হন।
অষ্টম উইকেটে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন তাসকিন আহমেদ। এই জুটি স্কোরবোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ ৪৬ রান যোগ করে। তবে দলীয় ৪১৮ রানে মিরাজকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন হ্যাজেলউড। অজিদের বিপক্ষে দুর্দান্ত লড়াই করা মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ১৫৪ বলে ৬৫ রানের একটি ধৈর্যশীল ইনিংস।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মিরাজের এই গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি তুলে নেওয়ার মাধ্যমেই টেস্ট ক্রিকেটে নিজের ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন অজি পেসার জশ হ্যাজেলউড।
মিরাজের বিদায়ের পর বাংলাদেশের লেজ বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি; স্কোরবোর্ডে যোগ হয় মাত্র ৮ রান। এবাদত হোসেনকে আউট করে বাংলাদেশের ইনিংসের সমাপ্তি টানেন সেই হ্যাজেলউড।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে:
জশ হ্যাজেলউড: একাই শিকার করেছেন ৬টি উইকেট।
মিচেল স্টার্ক: ঝুলিতে পুরেছেন ২ উইকেট।
প্যাট কামিন্স ও নাথান লায়ন: দুজনেই পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
বাংলাদেশের এই বিশাল সংগ্রহের মূল ভিত গড়ে দিয়েছিলেন টপ অর্ডারের ব্যাটাররা। তরুণ ওপেনার তানজিদ তামিম ১০১ রানের এক দুর্দান্ত সেঞ্চুরি উপহার দেন। এছাড়া অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৪ এবং মুমিনুল হক ৪৯ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন।
ব্যাটসম্যানদের এই সম্মিলিত পারফরম্যান্স এবং বোলারদের শুরুর দুর্দান্ত লড়াইয়ের ওপর ভর করেই অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিশ্বসেরা টেস্ট দলকে এখন রীতিমতো চোখ রাঙাচ্ছে বাংলার বাঘেরা।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।