advertisement
advertisement

গ্যাসের অভাবে দেশজুড়ে একের পর এক কারখানায় ছুটি: চরম সংকটে শিল্প খাত, ব্যাংক ঋণ পরিশোধে গ্রেস পিরিয়ডের দাবি


প্রেক্ষিত বাংলাদেশ | প্রতিবেদক: নিজস্ব সংবাদদাতা প্রকাশিত: ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ
গ্যাসের অভাবে দেশজুড়ে একের পর এক কারখানায় ছুটি: চরম সংকটে শিল্প খাত, ব্যাংক ঋণ পরিশোধে গ্রেস পিরিয়ডের দাবি

গ্যাস সংকটের কারণে কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা পার করছেন অলস সময় |

advertisement

গ্যাস সংকটের ভয়াবহতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশের শিল্প খাত। একদিকে কারখানায় উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে কাজ হারানোর ভয়ে চরম আতঙ্কে দিন পার করছেন শ্রমিকরা। দেখা যাচ্ছে, রাত ১১টার পর গ্যাসের সরবরাহ এলে শ্রমিকরা কাজ শুরু করছেন। কিন্তু সকাল হতে না হতেই গ্যাসের চাপ তলানিতে নেমে যাওয়ায় পুনরায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে উৎপাদনের চাকা। প্রায় এক মাস ধরে দেশে এই নাজুক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

 

একটি কারখানার জেনারেল ম্যানেজার আলম মিয়া আমাদের প্রতিবেদককে জানান, গ্যাস সংকট প্রকট হওয়ার পর সিএনজি স্টেশনগুলো থেকেও গ্যাস সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। কনটেইনার পাঠানো হলে সেখান থেকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে। এক মাস ধরে এই অবস্থা চলায় গ্যাসে নির্ভরশীল যাবতীয় কাজ স্থবির হয়ে পড়েছে। তাদের কারখানায় মূলত ওয়াশের কাজ হয়, যার জন্য গ্যাসের বিকল্প নেই। তাই বাধ্য হয়ে দিনের বেলায় কারখানা বন্ধ রেখে শুধু রাতে গ্যাস এলে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

 

সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলের প্রায় প্রতিটি শিল্প-কারখানাতেই এই গ্যাস সংকটের তীব্র আঁচ লেগেছে। বিভিন্ন কারখানার দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আমাদের প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, পাইপলাইনে সাধারণত ২০ পিএসআই গ্যাসের চাপ থাকার কথা। অন্য সময়ে এটি ৮ থেকে ১০ পিএসআই পাওয়া গেলেও, এখন তা কমে মাত্র ২ থেকে ৩ পিএসআইয়ে এসে ঠেকেছে। এই সামান্য চাপ দিয়ে কারখানায় স্বাভাবিক উৎপাদন কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

 

সাভারের একটি বৃহৎ শিল্প-কারখানার জেনারেল ম্যানেজার নাম গোপন রাখার শর্তে আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, গ্যাসের চাপ না থাকায় তারা বয়লার চালাতে ব্যর্থ হচ্ছেন। একটি বয়লার সচল রাখতে কমপক্ষে ৫ পিএসআই গ্যাসের চাপ দরকার হলেও, তারা পাচ্ছেন সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ পিএসআই। ফলস্বরূপ, বিকল্প জ্বালানির সাহায্য নিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখার চেষ্টা করতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।

 

বিকল্প জ্বালানির কারণে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকেই গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তারা আমাদের প্রতিবেদককে জানান, পণ্যের দাম বাড়ানো হলে বিদেশি বায়াররা মুখ ফিরিয়ে নিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর দিকে চলে যেতে পারে।

 

গ্যাসের চাপ কম থাকায় শুধু ডিজেল কিনতেই প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা বাড়তি খরচ গুনছে উইন্টার ড্রেস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম আমাদের প্রতিবেদককে জানান, প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমিক কাজ করেন তাদের কারখানায়। নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে শুধু যে উৎপাদন পরিকল্পনা ব্যাহত হচ্ছে তা-ই নয়, সঠিক সময়ে ক্রেতাদের অর্ডার সরবরাহ করা নিয়েও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 

সিরামিক শিল্পেও গ্যাস সংকটের ব্যাপক প্রভাব দৃশ্যমান। ধামরাইয়ের মুন্নু সিরামিক ও প্রতীক সিরামিকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। পর্যাপ্ত গ্যাস না থাকায় কিলন চালু রাখা এবং যথাসময়ে রপ্তানি আদেশ বা পণ্য সরবরাহ করা এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য রীতিমতো কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

গ্যাস সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও। সাভারের রেডিও কলোনি এলাকার সাহারা সিএনজি স্টেশনের ক্যাশিয়ার বিজয় হোসেন আমাদের প্রতিবেদককে জানান, একটি সিএনজি স্টেশন স্বাভাবিকভাবে চালু রাখতে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে কখনো একেবারে শূন্য, আবার কখনো মাত্র ২ পিএসআই চাপ মিলছে। ফলে স্টেশনে শত শত গাড়ি আসলেও তাদের গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।

 

নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলেও গ্যাস সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। গতকাল নারায়ণগঞ্জের প্রায় সবগুলো কারখানায় উৎপাদন একরকম বন্ধই ছিল বলে আমাদের প্রতিবেদককে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, জ্বালানি না থাকার কারণে কারখানার উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক কারখানাতেই ছুটি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। গতকাল নারায়ণগঞ্জে প্রায় সব কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকায় অনেক কারখানাতেই দুপুরের দিকে ছুটি ঘোষণা করা হয়। আবার কোনো কোনো কারখানায় শ্রমিকরা আসার পর কাজের উপযোগী পরিবেশ না দেখে তখনই ছুটি দেওয়া হয়। বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে মোট উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ৩০ শতাংশ কাজে লাগানো যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

গাজীপুরেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি নেই। ওই জেলার আবাসিক ও শিল্প খাতে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৫৯০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু গত বুধ ও বৃহস্পতিবার এর বিপরীতে মাত্র ২৫০ থেকে ২৭০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। ফলে বহু এলাকায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না, আর পাওয়া গেলেও চাপ অত্যন্ত নগণ্য। গাজীপুর তিতাস গ্যাস আঞ্চলিক অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুরুজ আলম আমাদের প্রতিবেদককে জানান, দুই-তিন মাস আগেও সর্বোচ্চ ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। তবে বর্তমানে সরবরাহ অর্ধেকে নেমে এসেছে। গ্যাস না পেলে চাহিদা অনুযায়ী তা সরবরাহ করার কোনো সুযোগ নেই। তবে যতটুকু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, তা সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সরবরাহ করার চেষ্টা সবসময়ই অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান।

 

গাজীপুরের কারখানা সংশ্লিষ্টরা আমাদের প্রতিবেদককে জানান, বর্তমানে মাত্র ২ থেকে ৪ পিএসআই চাপে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে, যার কারণে অনেক ইউনিট বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। প্রায় এক মাস ধরে চলা এই পরিস্থিতিতে অনেকেই ডিজেল দিয়ে বয়লার চালাচ্ছেন, যাতে গ্যাসের চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে। বড় কারখানাগুলো কিছুদিন টিকে থাকতে পারলেও মাঝারি ও ক্ষুদ্র কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

 

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক ও স্প্যারো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শোভন ইসলাম আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। এর ফলে দিনে মাত্র ১০ ঘণ্টা কারখানা সচল রাখা যাচ্ছে। উৎপাদন কমিয়ে আনতে হয়েছে এবং বাধ্য হয়ে অনেক ইউনিট বন্ধ রাখতে হচ্ছে। গ্যাসের অভাবেই ডিজেল দিয়ে বয়লার চালাতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, একদিকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের প্রবল সংকট, অন্যদিকে বৈশ্বিক যুদ্ধ এবং কনটেইনার জটের কারণে পণ্য জাহাজে তোলার ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে। এমনিতেই আমাদের লিড টাইম বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি, তার ওপর এসব সংকটের কারণে আমদানি ও রপ্তানির লিড টাইম আরও দীর্ঘ হচ্ছে।

 

গাজীপুরে কারখানার মালিকরা তিন শিফট চালু রেখে যখনই গ্যাসের চাপ পাচ্ছেন, তখনই কাজ এগিয়ে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তবে এই সংকটের কারণে জেলার ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কারখানার উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা আমাদের প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। তবে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন আমাদের প্রতিবেদককে জানান, গ্যাস সংকটের কারণে কারখানা বন্ধ হওয়ার কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য তাদের দপ্তরে নেই।

 

ময়মনসিংহের শিল্পাঞ্চলেও গ্যাসের চাপ কম থাকায় উৎপাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গতকাল সকালে শ্রমিকরা কাজে আসলেও দুপুরের খাবারের সময়ের মধ্যেই ধাপে ধাপে ২০টি কারখানার শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। শিল্প পুলিশের তথ্যমতে, ওই শিল্পাঞ্চলের প্রধান কারখানাগুলোতে উৎপাদন গড়ে ৫০ শতাংশে নেমে এসেছে।

 

ময়মনসিংহ শিল্পাঞ্চলে মোট ২৯৩টি শিল্প-কারখানা রয়েছে, যার মধ্যে ৯৯টি চলে গ্যাসে। সংশ্লিষ্টরা আমাদের প্রতিবেদককে জানিয়েছেন, বর্তমানে গ্যাসচালিত প্রায় সবগুলো কারখানাই তীব্র সংকটে পড়েছে। জেনারেটর ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করে কোনোমতে আংশিক উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

 

গ্যাস সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে টেক্সটাইল ও সুতা তৈরির কারখানাগুলো। গৌরীপুরে অবস্থিত টয়ো স্পিনিং মিলসে ৫০টির মধ্যে ৪৩টি মেশিনই বন্ধ রাখতে হয়েছে, বাকি সাতটি চালানো হচ্ছে পিডিবির বিদ্যুৎ দিয়ে। ভালুকার সীমা স্পিনিং মিলসের ৩০টি মেশিন সম্পূর্ণ বন্ধ, ফলে উৎপাদন কমেছে ৫০ শতাংশ। এছাড়াও বাশার স্পিনিং, নরটেক্স টেক্সটাইল এবং ডেল্টা স্পিনার্সে উৎপাদন অর্ধেক বা তার বেশি কমে গেছে। এক্সপেরিয়েন্স টেক্সটাইলে গ্যাসের স্বাভাবিক চাপ না থাকায় ৪০ শতাংশ মেশিন বন্ধ রাখা হয়েছে। সিরামিক খাতের এক্সিলেন্ট সিরামিকসের ফার্নেস বন্ধ থাকায় উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। শিল্প পুলিশ সূত্র আমাদের প্রতিবেদককে জানিয়েছে, গতকাল গ্যাসের চাপ না থাকায় দুপুরের খাবারের সময়ই মাহাদি সোয়েটার্স লিমিটেড, সুলতানা সোয়েটার্স, লিজ ফ্যাশন, টিএম টেক্সটাইল, ত্রিশাল টেক্সটাইল ও বিএসপি স্পিনিং মিলসহ মোট ২০টি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।

 

ভালুকায় বস্ত্র ও পোশাক খাতের একটি কারখানার ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, প্রায় দেড়-দুই মাস ধরে গ্যাসের চাপ খুবই কম। কারখানায় ১৫ পিএসআই চাপের দরকার হলেও পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১১-১২ পিএসআই। এর ফলে উৎপাদন ৩ থেকে ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

 

গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পাঞ্চলগুলোতে কারখানায় ছুটি এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে কাজ হারানোর প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসীম উদ্দিন গতকাল সন্ধ্যায় আমাদের প্রতিবেদককে বলেন, শ্রমিকদের পক্ষ থেকে এমন আশঙ্কা থাকাটা খুবই স্বাভাবিক। তবে তাদের জানামতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সরকারের নানা উদ্যোগ চলমান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, উৎপাদন না থাকলে উদ্যোক্তারা বেতন দিতে পারবেন না, আর বেতন দিতে না পারলে একপর্যায়ে কারখানা লে-অফ ঘোষণা করতে হবে। কাজেই শ্রমিকদের আশঙ্কা ঠিক আছে। তবে তিনি মনে করেন, সরকারের প্রচেষ্টায় দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

 

তবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল আমাদের প্রতিবেদককে জানান, শ্রমিকের কর্মচ্যুতির আশঙ্কা ইতিমধ্যেই বাস্তবে পরিণত হতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, প্রতিদিনই তাদের কাছে লে-অফের চিঠি আসছে। এর অর্থ হলো বহু শ্রমিক কর্মচ্যুত হবেন। গতকাল সন্ধ্যায় তিনি আমাদের প্রতিবেদককে আরও বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে তাদের সংগঠনের আওতাভুক্ত ১ হাজার ৮৫০টি কারখানার মধ্যে ৯০০টিতেই উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতি চলমান থাকলে শিল্প খাত টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

 

পরিশেষে, এই সংকট মোকাবেলায় কারখানা সংশ্লিষ্টরা আমাদের প্রতিবেদককে জানিয়েছেন যে, যতদিন কারখানা বন্ধ থাকবে, ততদিনের সুদহার কমানো বা মওকুফ করা এবং ব্যাংকের অর্থ পরিশোধের জন্য দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড চেয়েছেন তারা।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর