কিশোর আলোর জন্মদিনে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুভূতি প্রকাশ করেছে দীর্ঘদিনের এক পাঠক। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, পাঠকেরা বয়স বাড়লে কিশোর আলোকে ভুলে যায়—এমন ধারণা পুরোপুরি সত্য নয়। ভর্তি পরীক্ষার প্রচণ্ড ব্যস্ততা ও চাপের মুখেও এই প্রিয় মাধ্যমটিকে ভোলা হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে গড়ে ওঠা এই পথচলায় পাঠকদের সঙ্গে কিশোর আলো নিজেও আজ অনেকটাই পরিণত হয়েছে। অতীতে কখনো চিঠি পাঠানো না হলেও এবারই প্রথম লিখিতভাবে সেই ভালোবাসার কথা জানানো হয়েছে।
গল্প ও কমিকসের পাশাপাশি লেখার চারপাশে সাজানো চমৎকার সব খুদে কার্টুন এবং চিত্রকর্মের প্রতি নিজের গভীর মুগ্ধতার কথা জানিয়েছে এই পাঠক। বর্তমান সময়ে অন্যদের মতো এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর নির্ভরশীল না হয়ে কিশোর আলোর অনন্য সৃজনশীলতা ধরে রাখায় বিশেষ গর্ব প্রকাশ করা হয়। সেই সঙ্গে একটি ব্যক্তিগত স্বপ্নের কথাও ভাগ করে নেওয়া হয়েছে—ভবিষ্যতে যেন কিশোর আলোর প্রচ্ছদ ও কার্টুন আঁকা যায়, সেই লক্ষ্যে নিয়মিত অ্যানিমেশন ও ইলাস্ট্রেশন শেখা চলছে। কিশোর আলোকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠিটি পাঠিয়েছে ঢাকার বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী আরিশা ইসলাম জারা।