অধিকৃত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন
নেতানিয়াহুর সংযুক্ত আরব আমিরাতে গোপন সফর নিয়ে অবশেষে আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানিয়েছে
আবুধাবি। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) প্রথমবারের মতো এই সফর নিশ্চিত করে আমিরাতের রাষ্ট্রীয়
সংবাদ সংস্থা ওয়াম জানায়, দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের
আমন্ত্রণে রোববার তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেছেন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের
পরই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
বৈঠকের আলোচ্যসূচি নিয়ে ওয়াম জানিয়েছে, সেখানে
মূলত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে রয়টার্স তিনজন জ্যেষ্ঠ
ইসরায়েলি কর্মকর্তার সূত্র দিয়ে জানিয়েছে যে, বৈঠকটি প্রায় ছয় ঘণ্টা স্থায়ী হয় এবং
সেখানে ইরানসহ আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। ২০২০ সালে আব্রাহাম
অ্যাকর্ডসের মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দেশ দুটির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি
পেয়েছে।
নেতানিয়াহুর এই সফরটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন
ইসরায়েলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার আগে সতর্কবার্তা পাওয়া নিয়ে বিতর্ক চলছে।
ইসরায়েলি পত্রিকা হারেৎজ দাবি করেছে, হামলার প্রায় ১০ দিন আগে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট
নেতানিয়াহুকে হামাসের সম্ভাব্য বড় অভিযানের বিষয়ে ফোনে সতর্ক করেছিলেন। নেতানিয়াহুর
কার্যালয় এ দাবিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে। আইসিসির ওয়ারেন্টভুক্ত
নেতানিয়াহু এই সফরে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের কাছে সতর্কবার্তার ওই প্রতিবেদন অস্বীকার
করার অনুরোধ করেছিলেন বলেও কিছু খবরে দাবি করা হয়েছে। আমিরাত এ অভিযোগ নিয়ে সরাসরি
মুখ না খুললেও, তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগে জানিয়েছিল যে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা
তথ্য আদান-প্রদানের প্রথা চালু রয়েছে।