অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতা সালমান মুক্তাদিরের কর্মস্থলে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ রোববার সকাল প্রায় সাড়ে নয়টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি মন্তব্য করেন, মধু সংগ্রহকারী চাঁদাবাজরা অনেক সময় মৌচাক বিবেচনা করে ভিমরুলের চাকে ঢিল মেরে বসে, যা পরবর্তীতে বুমেরাং হয়ে তাদের দিকেই ফেরত আসে।
ফেসবুক বার্তায় জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন, গভীর রাতে ‘জুলাইযোদ্ধা’ ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবশালী মুখ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে চাঁদাবাজরা হানা দিয়ে ভাঙচুর, লুটতরাজ ও তাণ্ডব চালিয়েছে। কর্তৃত্ববাদীরা তাদের চাঁদাবাজদের নিয়ন্ত্রণ করবে কি না—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, একের পর এক এমন ঘটনা ঘটছে এবং ইনশাআল্লাহ একদিন এর অবসান হবে। এদিকে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার বিষয়টিকে লঘু করে দেখার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে এবি পার্টি। এছাড়া এ ঘটনা নিয়ে আসিফ মাহমুদ ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীও পোস্ট দিয়েছেন।
চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সালমান মুক্তাদির। তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বর সংলগ্ন নিউগিনি প্রপার্টিজে অবস্থিত তাঁর স্টুডিওতে এ তাণ্ডব চালানো হয়। রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এখানে অ্যাটাক হয়েছিল…আমাদের স্টুডিও ডেস্ট্রয়েড হয়ে গেছে’।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার রাত ও আজ রোববার সকালে মোট তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওকে উদ্দেশ্য করে হামলা চালানো হয়নি এবং চাঁদাবাজির কোনো ঘটনাও সেখানে ঘটেনি; মূলত পার্শ্ববর্তী জমির মালিকের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই অনাকাঙ্ক্ষিত এ পরিস্থিতি তৈরি হয়।